শিরোনাম :
পিতা-মাতার ইংরেজি নাম এনআইডিতে যুক্ত হচ্ছে পরিস্থিতি আরো জটিল হচ্ছে দ্বিতীয় রিফাইনারি গড়ে না ওঠায়: সেনাপ্রধান সময় বাড়ল এইচএসসি ফরম পূরণের জামালপুরে ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে সরকারের সঙ্গে কাজ করবে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র বই পড়ার অভ্যাস গড়তেসরকারের সঙ্গে কাজ করবে যে চুক্তি দাসত্বের শৃঙ্খলে বন্দি করেছে দেশকে বিশ্বকাপে টানা ব্যর্থ ইতালি, গার্দিওলাকেই চান বোনুচ্চি ইরানের জন্য কোনো যুদ্ধবিরতির সময়সীমা বেঁধে দেননি ট্রাম্প: হোয়াইট হাউস লালমাইয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস -২০২৬ বাস্তবায়নের লক্ষ্য প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত দেশজুড়ে তীব্র জ্বালানি সংকট টেলিযোগাযোগ খাতে, নেটওয়ার্ক সচল রাখা যাচ্ছে না সর্বত্র
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

ইংরেজিতে হেলিকপ্টার প্যারেন্টিং: সন্তানের জন্য বিরক্তিকর

ইংরেজিতে হেলিকপ্টার প্যারেন্টিং: সন্তানের জন্য বিরক্তিকর

লাইফস্টাইল ডেস্ক
ফাইল ফটো
হেলিকপ্টার প্যারেন্টিং বলে একটা শব্দ আছে, যার আক্ষরিক অনুবাদ করলে দাঁড়ায় সন্তানের ঘাড়ে সারাক্ষণ শ্বাস ফেলা বা তার পিছে লেগে থাকা। সন্তানের সঙ্গে সময় কাটানো মানেই কিন্তু তার স্কুল বা পড়াশোনা সংক্রান্ত আলোচনাও নয়। পড়ায় অসুবিধা হলে সাহায্য অবশ্যই করবেন, কিন্তু তার হোমওয়ার্ক নিয়ে সারাক্ষণ আপনি মাথাব্যথা করবেন না। বরং এই অবসরে সন্তানকে কিছু বাড়ির কাজ শেখান।

বিশেষ করে যাদের বয়স দশ বছর বয়সের বেশি, তারা স্বচ্ছন্দে রান্না, বাসন মাজা বা ঘর গোছানোর কাজে আপনাকে সাহায্য করতে পারে। তাদের সঙ্গে বসে আড্ডা দিন, গেম খেলুন, ভালো সিনেমা দেখুন। ক্রিকেট বা ব্যাডমিন্টনও খেলা যায়।

মনে রাখতে হবে, আপনি যা যা বলছেন, আপনার সন্তানের কাছে তার সবটা যুক্তিগ্রাহ্য বলে না-ও মনে হতে পারে। এতেই রেগে যাওয়ার কিছু নেই, মানুষের ব্যক্তিত্ব তৈরি হলে বরং তেমনটা হওয়াই স্বাভাবিক। সন্তানের কথাটাও মন দিয়ে শুনতে হবে। দরকারে মেনেও নিতে হতে পারে। শিশু মানেই যে সে ভুল বলছে, তেমনটা না-ও হতে পারে।

নিজের না পাওয়া বা ব্যক্তিগত আক্ষেপের দায় সন্তানের ওপর চাপাবেন না। এতে ছোট্ট মানুষটির চিন্তার জগতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাকে তার কোনগুলি গুণ, তা বুঝিয়ে দিতে পারেন। দোষ করলে সেটাও বলুন খোলা মনে। নিজের কোনো দুর্বলতা থাকলে সেটাও স্বীকার করতে লজ্জা পাবেন না। এসব মেনে চললে সন্তানের সঙ্গে বন্ধুর মতো সম্পর্ক গড়ে উঠবে।

কখনও অন্য কারো সঙ্গে সন্তানের তুলনা করবেন না। প্রতিটি শিশুই স্পেশাল। আপনার সন্তানের গুণগুলি খুঁজে বের করার ওপর জোর দিন। সবচেয়ে বড়ো কথা, বাচ্চাকে নিজের মতো খানিকটা সময় কাটানোর সুযোগ দিন।

মনোবিদদের পরামর্শ :

হাইপার ভিজিল্যান্ট হওয়ার চেষ্টা করবেন না। খানিকটা সময় তাকে একেবারে নিজের মতো থাকতে দিতে হবে। সব সময় ঘাড়ে শ্বাস ফেললে শিশুরা কোনো কথাই শুনতে চায় না।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com